চকবাজার থানা যুবদলের নেতা আলভী কবির এখন একটি পরিচিত নাম, বিশেষ করে তৃণমূল কর্মীদের মাঝে। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের একজন উদীয়মান নেতা হিসেবে তিনি দলীয় রাজনীতিকে গণমানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে নিরলস কাজ করে চলেছেন।
দলীয় কর্মীদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা, সহযোদ্ধাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আন্দোলনে সামিল হওয়া এবং সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠা – এই তিনটি বৈশিষ্ট্যই আলভী কবিরকে কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে চিনিয়েছেন।
তিনি শুধু বক্তৃতার মাধ্যমে নয়, বাস্তব পদক্ষেপের মাধ্যমেই প্রমাণ করেছেন যে, রাজনীতি মানেই জনগণের সেবা। চকবাজার এলাকার প্রতিটি ওয়ার্ডেই তাঁর সরব উপস্থিতি, সামাজিক সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ এবং দলের কার্যক্রমে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নানা উদ্যোগ ইতিমধ্যেই প্রশংসিত হয়েছে।
একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন,
“আলভী ভাই শুধু রাজনৈতিক নেতা না, একজন অভিভাবকের মতো। এলাকার যেকোনো সমস্যায় উনি আগে এগিয়ে আসেন।”
যুবদলের একজন কর্মী জানান,
“দলের মধ্যে এমন নেতা খুব কম পাওয়া যায়, যিনি ফোন দিলেই সাড়া দেন, প্রয়োজনে রাস্তায় নামেন। আমরা গর্বিত এমন নেতার নেতৃত্বে থাকতে পেরে।”
আন্দোলন-সংগ্রামে সাহসী ভূমিকা পালনের পাশাপাশি তিনি সামাজিক কার্যক্রম যেমন—শীতবস্ত্র বিতরণ, রক্তদান কর্মসূচি, গরিব শিক্ষার্থীদের সহায়তা—এসব আয়োজনও করছেন একান্ত নিজ উদ্যোগে। এতে তরুণ সমাজে তাঁর প্রতি আস্থা তৈরি হয়েছে।
আলভী কবির বিশ্বাস করেন,
“যুবকদের সংগঠিত করে যদি আমরা সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারি, তাহলে দেশ এবং দল—দু’টোই এগিয়ে যাবে।”
তিনি চান, রাজনীতি হোক আদর্শ, ত্যাগ ও মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত একটি প্ল্যাটফর্ম।
চকবাজার থানা যুবদলের অনেকেই এখন বলছেন,
“আলভী কবিরের মতো কর্মীবান্ধব নেতারাই আমাদের ভবিষ্যতের আশা।”





