আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর মিরপুরে ঢাকা-১৪ আসনে ধানের শীষের পক্ষে এক বিশাল নির্বাচনি প্রচারণা ও গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা উত্তর যুবদলের সদস্য সচিব সাজ্জাদুল মিরাজ এই কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন।
বেলা ৩টায় শুরু হওয়া এই প্রচারণায় প্রায় ৪ শতাধিক পিকআপ ভ্যান এবং ২০ হাজারেরও বেশি সাধারণ জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। মিরপুরের প্রধান সড়কগুলোতে ধানের শীষের পক্ষে স্লোগান ও ফেস্টুন হাতে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতি নির্বাচনি এলাকায় এক ভিন্ন আমেজ তৈরি করে। মিরাজ এসময় সাধারণ ভোটারদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়ে লিফলেট বিতরণ করেন।
গণসংযোগ শেষে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে সাজ্জাদুল মিরাজ ঢাকা-১৪ আসনের জনগণের প্রতি তার গভীর ভালোবাসার কথা জানান। তিনি বলেন, “ঢাকা ১৪ সংসদীয় আসনের মাটিতে জন্মেছি, এখানের আলো-বাতাসে বড় হয়েছি। এখানের মাটি-মানুষকে ভালোবেসে আমার প্রিয় দল বিএনপির আদর্শ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে আমার জীবন উৎসর্গ করেছি।”
আসন্ন সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে মিরাজ বলেন, “আমি আসন্ন সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে মনোনয়ন চেয়েছি, আমি রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে এবং দলের প্রতি আমার অবদান বিবেচনায় এটা আমার অধিকার। তবে দলীয় সিদ্ধান্তই শেষ কথা।”
তিনি আরও বলেন, “অতীতে যেমনি আমার অভিভাবক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, ১৮ কোটি মানুষের নির্ভরতার প্রতীক জনাব তারেক রহমানের প্রতিটি নির্দেশ মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়েও পালনে পিছপা হইনি – আজকেও আমার অভিভাবক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়ে অঙ্গীকার করছি তিনি যাকেই মনোনয়ন দিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিবেন এবং আমাদেরকে নির্দেশনা দিবেন আমরা সর্বশক্তি দিয়ে ধানের শীষের প্রার্থীকে জয়যুক্ত করে আগামীর বাংলাদেশের দায়িত্ব ও দেশনায়ক জনাব তারেক রহমানের হাত শক্তিশালী করতে জীবন উৎসর্গ করব।”
উপস্থিত নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে মিরাজ বলেন, “অতীতে সকল কর্মসূচিতে এবং আজকেও আপনারা যেভাবে আমাকে সহযোগিতা, সমর্থন করে মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়েও আমার সাথে রাজপথে ছিলেন ও আছেন এজন্য আমি আপনাদের প্রতি আমার সীমাহীন কৃতজ্ঞতা এবং ধন্যবাদ জানিয়ে একান্ত অনুরোধ করব আগামীর বাংলাদেশের দায়িত্ব যেপর্যন্ত আমাদের নেতা, আমাদের অভিভাবক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের হাতে তুলে না দিতে পারি সেপর্যন্ত আমরা ক্ষান্ত হব না, ঘরে ফিরব না।”





