আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২৩৭টি আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। তবে এই তালিকায় জায়গা হয়নি বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট নেতার, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা গুঞ্জন চলছে। তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। তার সমর্থকরা নিশ্চিত ছিলেন যে তিনি মনোনয়ন পাচ্ছেন।
চুয়াডাঙ্গা-১ আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন শামসুজ্জামান দুদু। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে ধানের শীষ প্রতীক দেওয়া হয়নি। এই আসনে বিএনপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মো. শরীফুজ্জামান।
শামসুজ্জামান দুদুর মনোনয়ন না পাওয়ার পেছনে ৫ আগস্টের একটি বক্তব্যকে দায়ী করা হচ্ছে। ওই বক্তব্যটি বিতর্কের জন্ম দেয় এবং দলের অভ্যন্তরেও সমালোচিত হয়। এ ঘটনায় তাকে দলের পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়েছিল। এরপরও দুদু মনোনয়ন পাবেন না, এটি তার সমর্থকদের কাছে অপ্রত্যাশিত ছিল।
শামসুজ্জামান দুদুর দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার রয়েছে। তিনি ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারির ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে চুয়াডাঙ্গা-১ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একই বছরের জুনে অনুষ্ঠিত সপ্তম জাতীয় নির্বাচনেও তিনি এই আসন থেকে বিজয়ী হয়েছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে দুদু ১৯৮৫ ও ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক এবং বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক পদে ছিলেন। দীর্ঘদিন তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পদেও কাজ করেছেন। বর্তমানে দুদু বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন।





