রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লট দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আত্মসমর্পণ করেছেন রাজউকের সাবেক সচিব (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম। এই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যরাও আসামি হিসেবে অভিযুক্ত।
দুদকের প্রসিকিউটর খান মো. মঈনুল হাসান নিশ্চিত করেছেন যে, বুধবার মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ চলাকালে সাবেক এই সচিব আত্মসমর্পণ করেন। ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে তিনি আত্মসমর্পণ করেন।
উল্লেখ্য, আলোচিত এই মামলায় এটিই প্রথম কোনো আসামির আত্মসমর্পণ। শেখ হাসিনাসহ অন্যান্য অভিযুক্তরা এখনও পলাতক রয়েছেন।
প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে গত জানুয়ারিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মোট ছয়টি পৃথক মামলা দায়ের করে। গত ২০ জুলাই ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এবং ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এ তিনটি করে মামলা বিচারের জন্য পাঠানো হয়।
এর ধারাবাহিকতায়, গত ৩১ জুলাই রাজউকের প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত। শুনানিতে আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।
এই মামলায় আসামি তালিকায় রয়েছেন শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তী, রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সায়মা ওয়াজেদ (পুতুল)।
শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্য ছাড়াও, এই মামলাগুলোতে আরও আসামি করা হয়েছে জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াসি উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিয়া, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) কবির আল আসাদ, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) নুরুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, সাবেক সদস্য শামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) শেখ শাহিনুল ইসলাম, উপপরিচালক হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এবং প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিন।





