ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পর বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে জাতীয় দলে বড় কোনো সিদ্ধান্ত এককভাবে নেওয়া হয় না।
মিরাজ বলেন, “অবশ্যই হেড কোচ শুরুতেই সিদ্ধান্ত নেন। অনেকেই হয়তো ভাবেন ক্যাপ্টেন আর সালাউদ্দিন স্যার সবকিছু সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন—কিন্তু ব্যাপারটা তেমন নয়। সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আমরা সবাই মিলে আলোচনা করি। ফিল সিমন্স তার পরামর্শ দেন, সালাউদ্দিন স্যার এবং আমার সঙ্গেও কথা বলেন। প্রথমে কেউ যা বলেন, তারপর আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।”
তিনি আরও যোগ করেন যে কখনো কখনো প্রধান কোচের সঙ্গে ‘একমত বা দ্বিমত’ প্রকাশ হয় এবং এভাবেই একটি দলীয় সমন্বয় গড়ে ওঠে—কেউ একা সিদ্ধান্ত নেন না, সবাই মিলেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
স্কোয়াড সংক্রান্ত প্রশ্নে মিরাজ জানান যে একটি সার্বিক পরিকল্পনা আগে থেকেই রয়েছে, “ওয়ানডেতে ১৫ জনকে দেখলে ছোট স্কোয়াড মনে হতে পারে, কিন্তু আসলে ২৫-২৭ জন খেলোয়াড় আছেন; তাদের ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে খেলানো হচ্ছে। আমরা বিশ্বকাপের আগে এভাবেই খেলিয়ে দেখব যে কোন পজিশনে কে কেমন পারফর্ম করছে। দিনশেষে পারফরম্যান্সই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।” এ প্রসঙ্গে তিনি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন যে সৌম্য সরকার আগের দুই সিরিজে না থাকলেও এবার সুযোগ পেয়েছেন; এভাবেই বোর্ড ও কোচরা তরুণ খেলোয়াড়দের পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছেন।
মিরপুরের উইকেট নিয়ে মন্তব্য করে মিরাজ বলেন, এটি নতুন কিছু নয়—তিনি নিজেও এখানে অভিষেক করেছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে খেলেছেন।
“আমরা সবসময়ই জানি মিরপুরের উইকেট কেমন হবে। আগে একটু ঘাস থাকত, এখন কমেছে—এটাই সংশয়। ঘাস থাকলে বল স্কিড করে; এখন সেই পার্থক্য ছাড়া তেমন কিছু মনে হয় না।”





