নির্বাচন কমিশন (ইসি) জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) তাদের কাঙ্ক্ষিত শাপলা প্রতীক না দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, নির্বাচনী বিধিমালায় শাপলা প্রতীক অন্তর্ভুক্ত না থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর পরিবর্তে ইসি স্বপ্রণোদিত হয়ে অন্য একটি প্রতীক দিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করবে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে আখতার আহমেদ গণমাধ্যমকর্মীদের এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, শাপলা প্রতীক বিধিমালায় না থাকায় এনসিপিকে তা দেওয়া সম্ভব নয়, যা আমরা আগেও জানিয়েছি। ইসি তাদের নিজস্ব বিবেচনায় একটি বিকল্প প্রতীক বরাদ্দ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে।
সিনিয়র সচিব আরও জানান যে, আসন্ন সংসদ নির্বাচনের জন্য ৪২ হাজার ৭৬১টি ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ভোটকক্ষ রয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৪৯টি এবং প্রায় ১২ হাজার অস্থায়ী কক্ষের ব্যবস্থা থাকবে। প্রতিটি কক্ষে গড়ে প্রায় তিন হাজার ভোটার ভোট দিতে পারবেন। চলতি সপ্তাহের মধ্যেই রাজনৈতিক দল ও পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধনের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এছাড়াও, উপদেষ্টা পরিষদে আরপিও (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ) অনুমোদনের ফলে জোটবদ্ধ নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন।
আখতার আহমেদ বলেন, আমাদের কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন এবং পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন—এই দুটি বিষয়ে আমরা কিছুটা পিছিয়ে আছি। তবে, রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধনের জন্য মাঠ পর্যায় থেকে অতিরিক্ত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে এবং চলতি সপ্তাহের মধ্যেই নতুন রাজনৈতিক দল ও দেশীয় পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধনের কাজ শেষ হবে বলে আশা করা যায়।
তিনি আরও যোগ করেন, সাময়িকভাবে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই, কারণ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। গণভোটের বিষয়ে ইসির কাছে এখনো কোনো তথ্য নেই বলেও আখতার আহমেদ নিশ্চিত করেছেন।





