জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় যখন ঐতিহাসিক জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও রাজনৈতিক দলগুলো এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করছিলেন, তখনই সংসদ ভবনের বাইরে দেখা গেল ভিন্ন এক চিত্র।
শুক্রবার বিকেল ৫টায় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের সময়, পুলিশের ধাওয়ায় ‘জুলাই যোদ্ধা’ ব্যানারে অবস্থান নেওয়া বিক্ষোভকারীরা খামারবাড়ি এলাকায় সরে গেলে, সেই একই জায়গায় ‘বৃহত্তর নোয়াখালীবাসী’ ব্যানারে আরেকটি দল অবস্থান নেয়।
এ সময় তাদের ‘নোয়াখালী বিভাগ চাই’ দাবিতে উচ্চস্বরে স্লোগান দিতে দেখা যায়। বিক্ষোভকারীদের হাতে প্ল্যাকার্ড এবং গায়ে একই রকমের নীল টি-শার্ট ছিল, যা তাদের সুসংগঠিত উপস্থিতি জানান দিচ্ছিল। তাদের দাবি স্পষ্ট: তারা কুমিল্লা বা চট্টগ্রাম বিভাগের অংশ হতে চান না, বরং একটি স্বতন্ত্র নোয়াখালী বিভাগ চান।
সংসদ ভবন এলাকায় কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেই বেশ কিছু সংখ্যক লোক এই বিক্ষোভে যোগ দেন। ঐতিহাসিক জুলাই সনদ স্বাক্ষরের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনার সমান্তরালে ‘নোয়াখালী বিভাগ চাই’ স্লোগান নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং সরকারের নজরে এনেছে আঞ্চলিক এই দাবির গুরুত্ব।





