রবিবার ১৪ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ

সালমান শাহ হত্যা মামলা: আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি তৎপরতা, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

সালমান শাহ হত্যা মামলা: আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি তৎপরতা, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
ফাইল ছবি

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি নায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর প্রায় ২৯ বছর পর আদালতের নির্দেশে এবার ‘হত্যা মামলা’ হিসেবে নতুন করে তদন্ত শুরু হয়েছে। গত সোমবার (২০ অক্টোবর) রমনা থানা পুলিশ ১১ জনকে আসামি করে এই চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্তে নেমেছে। ইতোমধ্যেই আসামিদের দেশত্যাগে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে এবং পুলিশের আনুষ্ঠানিক চিঠি ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছেছে। আসামিদের গ্রেপ্তার নিয়ে রমনা পুলিশের খোলামেলা বক্তব্যে সালমান শাহর মৃত্যু রহস্য আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে।

সালমান হত্যার আসামিদের গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে রমনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম ফারুক জানিয়েছেন, “সালমান শাহ হত্যা মামলায় আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এছাড়া কয়েকজন দেশের বাইরে আছেন। যারা দেশে আছেন, তাদের অবস্থান তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে। খুব দ্রুতই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।”

এদিকে, সালমান হত্যা মামলার ১১ নম্বর আসামি রেজভী আহমেদ ফরহাদ সালমান শাহর নারকীয় হত্যাকাণ্ডের সে রাতের লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন। এর পরপরই দীর্ঘ ২৮ বছর আগে ১৯৯৭ সালে রেজভীর দেওয়া একটি জবানবন্দি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

ওই জবানবন্দিতে রেজভী সালমান শাহর হত্যার দায় স্বীকার করে বলেছিলেন, “আমরা সালমান শাহকে হত্যা করেছি। হত্যার ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে সাজানো হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডে সামিরা ও তার পরিবারসহ অনেকে জড়িত। হত্যাযজ্ঞে আমিও ছিলাম।”

১৯৯৭ সালের ১৬৪ ধারার সেই জবানবন্দিতে তিনি আরও জানান, সালমান শাহর মৃত্যু ছিল ১২ লাখ টাকার এক হত্যার চুক্তি। এই চুক্তি করেছিলেন সালমান শাহর শাশুড়ি লতিফা হক লুসি। এই হত্যা চুক্তিতে আরও জড়িত ছিলেন বাংলা সিনেমার খলনায়ক ডন, ডেভিড, ফারুক এবং জাভেদ।

মন্তব্য করুন:

channel muskan ads